লক্ষা কবুতরের সবকিছু ? কোথা থিকে আমাদের দেশে আসলো এই কবুতর? এর উৎপত্তিস্থল কোথায়?

আপনি কবুতর জগৎ এ আছেন আর লক্ষা কবুতরের নাম জানেন না। এটা মনে হয় সম্ভব না।
বর্তমান যে কোন হাটেই লক্ষা কবুতর উঠে, দেশের সবচেয়ে বড় হাট থিকে শুরু করে, গ্রামবাংলার প্রতিটা হাটেই এই ফ্যান্টাইল খ্যাত লক্ষা কবুতরটিকে দেখা যায়।



যারা নতুন কবুতর পালা শুরু করে তাদের প্রথম পচ্ছন্দই  লক্ষা কবুতর। কিন্তু আপনি কি জানেন এই লক্ষা কবুতরের সবকিছু ? কোথা থিকে আমাদের দেশে আসলো এই কবুতর? এর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
আজ সেসকল প্রশ্নর উত্তর নিয়েই কথা বলবো। তাহলে ভিডিও শুরু করা যাক, লাইক,  কমেন্ট, সাবস্কাইব করতে ভুলবেন না।

ফেন্সি বা বিদেশি কবুতরের মধ্যে লক্ষা কবুতর সবচেয়ে জনপ্রিয়।

 এদের লেজের ধরন দেখে এদের নামকরন করা হয়। 

এদের লেখের পাখা সংখ্যা অন্যান সব কবুতরের থিকে বেশি। একটি প্রাপ্তবয়স্ক লক্ষা কবুতরের লেজে ৩০ থিকে ৪০ টি পালক থাকে, যেখানে অন্যান কবুতরের ১০ থিকে  ১৪ টা পালক থাকে।

এদের উৎপত্তাস্থলের সঠিক ধারনা পাওয়া যায়নি।

 তবে, ধারনা করা হয় যে পাকিস্তান, ভারত, চায়না, জাপান অথবা স্পেনের কোন অন্চলে এদের প্রথম দেখা যায়। লক্ষা কবুতরকে কয়েকভাগে ভাগ করা হয়েছে। 

এরমধ্যে অন্যতম হলো - ইংলিশ ফ্যান্টাইল,  ইন্ডিয়ান ফ্যান্টাইল, থাই ফ্যান্টাইল। 

 চার্লস ডারউইনের প্রথম অধ্যায়ে উদাহরণ হিসাবে রক কবুতর থিকেই সবগুলো ফেন্সি কবুতরের উৎপত্তি।  রক কবুতরকে আমাদের দেশে জালালি কবুতর হিসাবে সবাই চিনে।

ভারতীয় ফ্যান্টাইল: মোঘল শাসকদের যেকোন ছবিতে ফ্যান্টাইল কবুতরের অবস্থান রয়েছে। বিভিন্ন রাজার ছবির মধ্যেও তাদের উপস্থিতি পাওয়া যায়। ভারতেই সর্বপ্রথম এ জাত দেখা যায় বলে ধারনা করা হয়। 

ইংলিশ ফ্যান্টাইল : লোকমুখে শোনা, ভারতীয় কোন এক শাসক ইংরেজদের একজোড়া লক্ষা কবুতর উপহার দিয়েছিলেন। সেখান থিকে ব্রিড করে আজ এই ইংলিশ ফ্যান্টাইলের সূচনা।

 ইংরেজরা সোন্দর্যের জন্য বহুবার অন্যান কবুতরের সাথে ক্রস করিয়ে নতুন রং উৎভব করেছে। প্রতিবছর তারা প্রদর্শনী আয়োজন করে।

থাই ফ্যান্টাইল : এই জাতটি প্রথম চার্লস ডারউইনের দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল । এগুলি ভারতীয় কল্পিতদের সাথে সমান, তবে খাঁটি সাদা এবং তাদের লেজগুলিতে ফিতা জাতীয় স্ট্রাইপ রয়েছে। থাইল্যান্ডের বাইরে প্রজনন করা কঠিন, এবং খুব কম লোকই তা করেছে। পাকিস্তানের একটি ব্রিডার সফলভাবে স্ট্রিপ থাই ফ্যান্টেলগুলি উত্পাদন করে যা বিভিন্ন জাতের কালো বর্ণের পুরুষ এবং বাদামী বর্ণের স্ত্রীকে জুড়ে দেয়



আমাদের দেশে বর্তমানে সব ব্রিডারদের কাছেই লক্ষা কবুতরের সবকয়টা জাতই আছে। বিভিন্ন সময় তারাও ক্রস করে নতুন জাত উৎভব করছে।  লক্ষা কবুতর সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।


Comments

Popular posts from this blog

Difference between private and general category treatment on TATA Medical Center

কাটেল ফিস বোন ! জিনিসটা আসলে কি ? কোথা থেকে আসে ? সবাই কেনো পাখিকে দিতে বলে ?

A simple Model of a Shop System