How can you take dead body on bangladesh form india( only medical visa patient)
ভারত থিকে কিভাবে রোগীর মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে যাবেন
![]() |
| Dead Body |
একজন সুস্থ রোগীর চেয়ে মরদেহ নিয়ে যাওয়াটা অনেক কঠিন। কারন, আমি দেখেছি কিভাবে একটা মরদেহ নিয়ে যেতে হয়। আজ সেই সম্পর্কেই বলবো।
১. ডেড সার্টিফিকেট এবং NOC সংগ্রহ করা:
হাসপাতালে সব বকেয়া বিল পরিশোধ করার পর তারা আপনাকে ডেট সার্টিফিকেট দিয়ে দিবে। বিল পরিশোধ না করলেও ডেট সার্টিফিকেট দিবে। শুধু রিকোয়েস্ট করে বলতে হবে যে আমরা পরবর্তী কাজগুলো করবো। এজন্য আমাদের সার্টিফিকেট দিয়ে দিন। ডেট সার্টিফিকেটে রোগীর একজন এটেন্ডেন্সের নাম, পাসপোর্টের ও ভিসা নাম্বার দেওয়া থাকবে এবং মৃত্যুর কারনও দেওয়া থাকবে।
ডেট সার্টিফিকেট পেতে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট লাগতে পারে। যদি বাংলাদেশের ঠিকানা ভূল থাকে প্রেসক্রিপশনে তবে সেটাও ঠিক করে নিবেন কারন প্লেনে অনেক ঝামেলা করে এসব নিয়ে।
ডেট সার্টিফিকেট নেবার পর আরেকটা জিনিস হলো NOC( Non Objection Certificate) সেটাও হাসপাতাল থিকেই আপনাকে দিবে। সেটা হতো সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট লাগবে। সেখানেও মৃত্যুর কারন এবং ডাক্তারের নাম লিখা থাকবে। সেটা নিয়ে আপনি চলে যাবেন পুলিশ স্টেশনে।
![]() |
| Dead Certificate form Tata Medical Center |
![]() |
| Hospital NOC |
২. পুলিশ স্টেশনে NOC:
![]() |
| Police NOC |
৩. বাংলাদেশ হাইকমিশানার NOC:
এখানে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট সময় লাগবে। সকাল ৮ - সন্ধা ৯ টার মধ্যো গেলে হাইকমিশনারে NOC দেয়। যদি অফিসার না থাকে তবে সিকিউরিটি গার্ডকে বললেই হবে। সে করে দিবে এসব। কারন সেখানে সর্বক্ষণ একজন অফিসার থাকে এসবের জন্য। সেখানে রোগীর পাসপোর্টট নিয়ে যেতে হবে এবং উপরের সব ডকুমেন্ট নিয়ে গিয়ে সাবমিট করলেই তারা রোগীর পাসপোর্ট কেটে দিবে এবং একটা NOC দিয়ে দিবে। তারপর যেতে হতে FRRO/ গোয়েন্দা অফিসে
![]() |
| Bangladesh high commissioner NOC |
৪. FRRO অফিসের NOC:
সেখানে সর্বোচ্চ ১ ঘন্টা লাগবে। সেখানে সব ডকুমেন্ট সবমিট করলেই FRRO অফিস থিকে NOC দিয়ে দিবে।
![]() |
| FRRO NOC |
তারপর আর কোন কাজ নেই। বর্ডার ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। যদি সবকিছু হয়ে যায় তবে ৪ টার আগে বর্ডারে চলে যাবেন। হাসপাতাল থিকেই লাশ প্যাকেট করে দেয়। আপনারা লাশ প্যাকেট করে নিবেন। তারপর একটা কফিন এবং এম্বুলেন্স নিতে হবে। কফিনের সাথে মেডিসিনের কথাও পাকা করে নিবেন। যেসব মেডিসিন লাশ গলতে দেয় না সেসকল মেডিসিনেরর কথা বলছি আমি। লাশ বর্ডারে নিয়ে গেলে শুধু সিল মারতে যে সময়টুকু লাগে। এছাড়া কোন হয়রানি নেই।
কিছু তথ্য:
১. কলকাতার বাংলাদেশ হাইকমিশানারের অফিসে রাজা নামের একজন লোক আছে। সে কফিন এবং এম্বুলেন্সের কাজ করে থাকেন। যদি কোথাও না পান তবে তার সাথে যোগাযোগ করবেন। খুব কম দামে পেয়ে যাবেন। তার ছেলে মারা যাবার পর থিকে সে এসকল সার্ভিস দিচ্ছে
২. সকল ডকুমেন্ট ৬ কপি করে ফটোকপি করে নিয়ে নিবেন
৩. হাসপাতাল থিকে লাশ প্যাকেট করে নিবেন
৪. হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা গেলে কোন মর্গ চার্জ নেয় না
৫. কোথাও ঘুষ দেবার প্রয়োজন নেই
৬. এসকল পদ্ধতি শুধুমাত্র মেডিকেল ভিসায় আসা রোগীদের জন্য প্রযোজ্য






Comments
Post a Comment